Technology
Is AI Stealing Our Fresh Water? The Hidden Environmental Cost of Artificial Intelligence
Artificial Intelligence (AI) has officially taken over our lives. From ChatGPT helpi…
Technology
Artificial Intelligence (AI) has officially taken over our lives. From ChatGPT helpi…
টাকা-পয়সা বা ধনকুবেরদের গল্পে আমরা এতদিন 'মিলিয়নেয়ার' বা 'বিলিয়নেয়ার' শব্দগুলোর সাথেই বেশি পরিচিত ছিলাম। কিন্তু বর্তমান প্রযুক্তির দ্রুত উত্থান আমাদের এমন এক সময়ের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে, যেখানে পৃথিবীর মানুষ প্রথম কোনো 'ট্রিলিয়নেয়ার' বা লক্ষ-কোটিপতির দেখা পেতে যাচ্ছে। আর এই দৌড়ে যার নাম সবার শীর্ষে রয়েছে, তিনি আর কেউ নন—টেসলা এবং স্পেস-এক্স এর কর্ণধার ইলন মাস্ক (Elon Musk)।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আর্থিক গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ইলন মাস্ক বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার হিসেবে নিজের নাম লেখাতে পারেন। কিন্তু কীভাবে সম্ভব হচ্ছে এই অবিশ্বাস্য অর্জন? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
বর্তমানে মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ কয়েকশ বিলিয়ন ডলার। তবে তার এই সম্পদ শুধু ব্যাংকে জমে থাকা টাকা নয়, বরং তার কোম্পানিগুলোর শেয়ারের মূল্য। আর্থিক বিশ্লেষকদের মতে, মাস্কের সম্পদ যেভাবে প্রতি বছর গড়ে ১১০% বা তার বেশি হারে বাড়ছে, তাতে ২০২৭ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে তার মোট সম্পদ ১ ট্রিলিয়ন ডলার (১,০০০,০০০,০০০,০০০ ডলার) স্পর্শ করতে পারে।
ইলন মাস্কের এই অবিশ্বাস্য সাফল্যের পেছনে রয়েছে মূলত দুটি বড় কোম্পানি:
টেসলা (Tesla): বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) বাজারে টেসলা এখন এক নম্বর নাম। বিশ্বজুড়ে পরিবেশবান্ধব গাড়ির চাহিদা যত বাড়ছে, টেসলার শেয়ারের দামও তত লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।
স্পেস-এক্স (SpaceX): মহাকাশ গবেষণায় ব্যক্তিগত খাতের সবচেয়ে বড় বিপ্লব এনেছে স্পেস-এক্স।
স্টারলিংক (Starlink): স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে নেটওয়ার্ক তৈরি এবং মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর প্রজেক্ট এই কোম্পানির ভ্যালু বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
শুধু গাড়ি বা রকেট নয়, মাস্কের ঝুলিতে রয়েছে আরও কিছু প্রযুক্তি:
নিউরালিংক (Neuralink): মানুষের মস্তিষ্কে চিপ বসিয়ে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপনের এক অবিশ্বাস্য প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে এই প্রতিষ্ঠান।
এক্স (X - সাবেক টুইটার): সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-কে একটি 'এভরিথিং অ্যাপ' (Everything App) বা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছেন তিনি।
এক্সএআই (xAI): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর দুনিয়ায় টেক্কা দিতে তিনি এনেছেন 'গ্রোক' (Grok) নামের এআই চ্যাটবট।
অবশ্য মাস্কের এই পথচলা সবসময় মসৃণ নয়। টেসলার শেয়ার বাজারের ওঠানামা, এক্স (টুইটার) কেনার পর নানা বিতর্ক এবং তার খামখেয়ালি কিছু সিদ্ধান্তের কারণে প্রায়ই তাকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। তবে সমালোচকদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়ানোই ইলন মাস্কের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
ইলন মাস্ক কি আসলেই ২০২৭ সালের মধ্যে প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার হতে পারবেন? নাকি অন্য কোনো টেক-জায়ান্ট (যেমন জেনসেন হুয়াং বা জেফ বেজোস) তাকে ছাড়িয়ে যাবেন—তা সময়ই বলে দেবে। তবে এটি নিশ্চিত যে, মাস্কের চিন্তাভাবনা ও প্রযুক্তি আমাদের ভবিষ্যৎ পৃথিবীকে পুরোপুরি বদলে দিচ্ছে।
আপনার কী মনে হয়? কমেন্ট বক্সে আমাদের জানান, ইলন মাস্কের কোন প্রজেক্টটি আপনার সবচেয়ে পছন্দের?